৫ জি স্মার্টফোন প্রযুক্তি সম্পর্কে আমরা ঠিক কতটুকু জানি? জানুন বিস্তারিত।
জানুয়ারি ০৮, ২০২১
পৃথিবীর অন্যান্য দেশগুলোর মতো বাংলাদেশেও ৫জি প্রযুক্তির ইম্পলিমেন্ট এর কাজ শুরু হচ্ছে। তবে দুঃখের বিষয় হলো এখনো অনেক জায়গায় ঠিকমতো ভাবে ৪জি প্রযুক্তির সুবিধাও মানুষ পাচ্ছে না।
তো আসুন জেনে নেওয়া যাক, যদি ৫জি প্রযুক্তি দেশে সঠিকভাবে আসে তাহলে ঠিক কি কি সুবিধাগুলো আমরা পাব।
১. লাইভ ভিডিও দেখুন কোনো বিলম্বনা ছাড়াঃ
লাইভ ভিডিও দেখার ক্ষেত্রে ৪জি এবং ৫জি এর মধ্যে বেশ পার্থক্য রয়েছে। ধরুন আপনি যদি ৪জি প্রযুক্তিতে কোনো প্রিমিয়ার লিগের লাইভ খেলা দেখেন তবে আপনার সর্বোচ্চ ৩ মিনিট বিলম্ব হবে অপরদিকে ৫জি প্রযুক্তিতে সর্বোচ্চ ১-৫ সেকেন্ড সময় বিলম্ব হবে।
২. গেইম এপ্লিকেশনঃ
গেমিং এর দুনিয়াতে ৫জি হচ্ছে গেমারদের জন্যে আশীর্বাদস্বরুপ। বড় বড় গিগাবাইটের গেইম তারা মুহুর্তের মধ্যে অর্থাৎ কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ডাউনলোড করতে পারবে। তাছাড়া আরও দারুণ ব্যপার হচ্ছে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে অনলাইনে গেমিং স্ট্রিমিং আরও সাবলীলভাবে করা যাবে,কোনো প্রকার ল্যাগ করবে না।
৩.দুর থেকে স্মার্টলি সবকিছু নিয়ন্ত্রণঃ
ধরুন আপনার কাছের কেও মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছে তখন আপনি ৫জি প্রযুক্তির মাধ্যমে ঘরে বসেই স্মার্টফোন দিয়ে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।
এছাড়াও ৫জি প্রযুক্তির মাধ্যমে আপনার ঘরের নানা ইলেকট্রিকাল মেশিন কন্ট্রোল করতে পারবেন।যেমন ধরুন আপনি একটি কাজে বাসার বাইরে অন্য কোথাও আছেন,তখন আপনার বাসায় যদি চোর আসে তখন আপনি ৫জি র সাহায্য বাইরে থেকেও আপনার বাসার এলার্ম বাজাতে পারবেন যার দরুন এলার্ম এর শব্দ অনেক দূর যাবে এবং সহজেই চোর কে ধরা সম্ভব হবে। এছাড়াও আপনি ঘরে বসে যেকোনো কাজ করতেও ৫জি প্রযুক্তির স্মার্টফোন ব্যবহার করতে পারেন।
অসুবিধাঃ
অবশেষে, ৫জি প্রযুক্তির নানা সুবিধা থাকলেও এর বেশ কিছু অসুবিধাও রয়েছে যেমন এই প্রযুক্তিতে ব্যাটারির পাওয়ার কনসিউম বেশি হবে। তবে শহরের তুলনায় বিভিন্ন রুরাল এলাকাগুলোতে পৌছাতে অনেক সময় লাগবে।
তো ৫জি প্রযুক্তি সম্পর্কে আপনাদের মতামত কি?জানাতে ভুলবেন না কিন্তু!
সর্বশেষ টেক নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের টেকবিডি পেইজে এবং অফিশিয়াল গ্রুপে।
